নিচের কোনটি Wheatstione's bridge এর মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত-
-
ক
মিটার ব্রিজ
-
খ
পোস্ট অফিস বক্স
-
গ
পিটেনমিওমিটার
-
ঘ
A ও B উভয়ই
A ও B উভয়ই।
মিটার ব্রিজ এবং পোস্ট অফিস বক্স উভয়ই Wheatstione's bridge এর মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। Wheatstione's bridge হল একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট যা একটি অজানা প্রতিরোধের মান নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। এই সার্কিটে চারটি প্রতিরোধক থাকে, যা একটি বর্গাকার আকারে সংযুক্ত থাকে। একটি পরিমাপক যন্ত্র, যেমন একটি মিটার বা পিটেনমিওমিটার, সার্কিটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
মিটার ব্রিজ একটি সাধারণ Wheatstione's bridge যা অজানা প্রতিরোধের মান নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিজটিতে একটি পরিমাপক যন্ত্র থাকে যা সার্কিটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপ করে। যখন সার্কিটটি ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, তখন পরিমাপক যন্ত্রের পড়া শূন্য হয়।
পোস্ট অফিস বক্স একটি বিশেষ ধরনের Wheatstione's bridge যা খুবই সঠিকভাবে অজানা প্রতিরোধের মান নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিজটিতে একটি পরিমাপক যন্ত্র এবং একটি ভারসাম্যকারী স্ক্রু থাকে। যখন সার্কিটটি ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, তখন ভারসাম্যকারী স্ক্রুটি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। এই অবস্থানটি অজানা প্রতিরোধের মান নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং, মিটার ব্রিজ এবং পোস্ট অফিস বক্স উভয়ই Wheatstione's bridge এর মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
৭.১ সূচনা
Introduction
গ্রহ-নক্ষত্রের প্রকৃতি, স্বরুপ, গতিবিধি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীদের অপরিসীম কৌতূহল ছিল। বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ টাইকো ব্র (Tycho Brahe), জোহান্স কেপলার (Johannes Kepler) গ্রহ, নক্ষত্রের গতিবিধি সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। কেপলার প্রথম উপলব্ধি করেন যে গ্রহগুলো কোন এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরত ঘুরছে। কিন্তু কি ধরনের বল ক্রিয়াশীল তা সঠিকভাবে বোঝাতে সমর্থ হননি। 1681 খ্রিস্টাব্দে মহাবিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন (Sir Isaac Newton) প্রথম “মহাকর্ষ সূত্র' আবিষ্কার করে এ সমস্যার সমাধান করেন। কথিত আছে, নিউটন তাঁর গৃহ-সংলগ্ন বাগানে একটি আপেল গাছের নিচে বসে বই পড়ছিলেন। এমন সময় একটি আপেল তাঁর নিকটে মাটিতে পড়ে। তিনি ভাবলেন গাছের উপরে ফাঁকা, নিচে ফাঁকা, ডানে ফাঁকা এবং বামেও ফাঁকা। আপেল ফল মাটিতে পড়ল কেন ? এই 'কেন' এর উদ্ঘাটন করতে গিয়ে তিনি মহাকর্ষ (Gravitation) এবং অভিকর্ষ (Gravity) আবিষ্কার করেন এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহ-উপগ্রহের আবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করেন। এ অধ্যায়ে আমরা মহাকর্ষ, অভিকর্ষ, নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তি বেগ, কেপলারের সূত্র, গ্রহের গতি ইত্যাদি আলোচনা করব।
৭.২ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
Gravitation and gravity
বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন আবিষ্কার করেন যে এ মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তু বা বস্তু কণার মধ্যে একটি পারস্পরিক আকর্ষণ রয়েছে। দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার এই পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে কখনও মহাকর্ষ আবার কখনও অভিকর্ষ বলা হয়।
এ দুটি বলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ কি ? এদের সংজ্ঞা নিম্নে দেয়া হল :
মহাকর্ষ : “নভোমণ্ডলে অবস্থিত দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।
অভিকর্ষ : “পৃথিবী এবং অন্য একটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার আকর্ষণ বলকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।”
উদাহরণ :
সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ, অপর পক্ষে পৃথিবী ও চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলই অভিকর্ষ। আরও সোজা ভাষায় বলা যায় পৃথিবী এবং আম গাছের একটি আমের মধ্যকার যে আকর্ষণ বল তা অভিকর্ষ। কিন্তু একই আম গাছের দুটি আমের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ।
Related Question
View All-
ক
W
-
খ
mW
-
গ
-
ঘ
Wg
-
ঙ
W g2
-
ক
117.6 N
-
খ
528.0 N
-
গ
60.0 N
-
ঘ
470.4 N
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও ill
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
সমানুপাতিক
-
খ
ব্যস্তানুপাতিক
-
গ
বর্গের সমানুপাতিক
-
ঘ
বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন